চীনা সেনা এক মাসে ৪ বার ভারতের বায়ুসীমা লঙ্ঘন করেছে. পিপল'স লিবারেশন আর্মির হেলিকপ্টার লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল পেরিয়ে উত্তর ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ভারতীয় বায়ুসীমায় প্রবেশ করে. গোয়েন্দা তথ্য অনুসারে উত্তরাখণ্ডের বারাহটি, লাদাখের ডেপসাং উপত্যকা ও ট্রিগ হাইট ও বুর্টসেতে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল পেরিয়ে চীনা হেলিকপ্টার ভারতীয় বায়ুসীমায় প্রবেশ করে.প্রথম ঘটনাটি ঘটে ৮ই মার্চ, যেদিন ২টি চীনা হেলিকপ্টার লাদাখের ট্রিগ হাইট এ সকাল ৮.৫৫ তে বায়ুসীমা লঙ্ঘন করে. বিস্ময়করভাবে হেলিকপ্টার দুটি ট্রিগ হাইট এর ১৮ কিলোমিটার অভ্যন্তরে চলে আসতে সমর্থ হয়. উল্লেখ্য যে ট্রিগ হাইট টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে বিবাদ রয়েছে.
গোয়েন্দা প্রতিবেদনে জানা যাচ্ছে যে চীনা হেলিকপ্টারের এটাই প্রথম বায়ুসীমা লঙ্ঘন নয়. এই বছরেরই ২৭ই ফেব্রুয়ারী চীনা হেলিকপ্টার ট্রিগ হাইট এর উপর দিয়ে ১৯ কিলোমিটার ভিতরে প্রবেশ করেছিল.
হেলিকপ্টার দুটি প্রায় ৫ মিনিট ভারতীয় সেনা ক্যাম্পের উপর উড়তে থাকে এবং সীমান্ত বরাবর ভারতীয় সেনার উপস্থিতি ও পরিমান পর্যবেক্ষণ করে.
তৃতীয় বায়ুসীমা লঙ্ঘনটি ঘটেছিলো ১০ই মার্চ, সেদিন উত্তরাখণ্ডের বারাহটি সীমান্তে ৩টি চীনা হেলিকপ্টার ভারতীয় বায়ুসীমার ৪ কিলোমিটার অভ্যন্তরে প্রবেশ করে. কিছু রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে যে বারাহটির উপর প্রায় ৫ মিনিট চীনা হেলিকপ্টারগুলো উড়েছিল, সীমান্ত পেরিয়ে ফায়ার যাওয়ার আগে.
চীন সেনার এই বায়ুসীমা লঙ্ঘন নিয়ে সরকারের কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি. সকারের তরফ থেকে নিশ্চয় আধিকারিকভাবে চীনের কাছে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এই নিয়ে. কিন্তু ঘটনাগুলোর বিবরণ থেকে এটা বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় যে চীনা হেলিকপ্টারগুলো ইচ্ছাকৃতভাবেই নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্য নিয়ে ভারতীয় বায়ুসীমায় প্রবেশ করেছিল. তাই আধিকারিকভাবে প্রতিবাদ চীনকে আগ্রাসী নীতি থেকে বিরত রাখতে কোনোরকম সহায়ক হবে বলে মনে হয়না. ভারত সরকারকে এর কোনো সমাধানের পথ খুঁজতেই হবে, নতুবা আগামী দিনে আমরা এমন আরও বেশি সংখ্যাই ঘটনা দেখবো.
No comments:
Post a Comment