Wednesday, 21 March 2018

ভারতীয় বিমানবাহিনী S-400 দ্বারা চীনের পঞ্চম প্রজন্মের J-20 বিমানের মোকাবিলা করতে সক্ষম


ভারতীয় বিমানবাহিনী, চীনা পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ বিমান J-20  কে S-400 মিসাইল সিস্টেম দ্বারা প্রতিহত করতে পারবে. চীনের নতুন J-20 বিমান যথেষ্ট স্টিলথি নয় এবং ভারতীয় বিমানবাহিনী উদ্ভূত বিপদের মোকাবিলা করতে সক্ষম বলে জানিয়েছেন এক বরিষ্ঠ বিমানবাহিনীর আধিকারিক যিনি চীনের সামরিক আধুনিকীকরণের পরিকল্পনা সম্পর্কে সচেতন.

S-400 ট্র্যায়ামফ এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেম, যা  রাশিয়া থেকে ক্রযের প্রক্রিয়া চলছে এবং আমাদের কাছে থাকা মধ্যম দূরত্বের সারফেস টু এয়ার মিসাইল সিস্টেম দ্বারা আমরা J-20 বিমানকে মধ্য আকাশে ধ্বংস করতে সক্ষম. বায়ুসেনার আধিকারিকটি  আরও জানিয়েছেন যে J-20 একটি প্রকৃত পঞ্চম প্রজন্মের বিমান নয়. কারণ বিমানটির নকশা স্টিলথি নয় এবং ইহা বর্তমানে ব্যবহৃত WS-10 ইঞ্জিনের দ্বারা সুপার ক্রুজ গতিতে উড়তেও সক্ষম নয়. সুপার ক্রুজ গতিতে ওড়ার সময় বিমানকে শনাক্ত করা খুবই শক্ত এবং পঞ্চম প্রজন্মের বিমান,স্টিলথ ক্যাপাবিলিটি যুদ্ধসাজের সহিত সুপার ক্রুজ গতিতে উড়তে সক্ষম হয়.
গতমাসে চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রক ঘোষণা করে যে পিপলস  লিবারেশন আর্মি এয়ার ফোর্স  J-20  বিমান পরিষেবায় যুক্ত করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে.  অন্যদিকে ভারতের পঞ্চম প্রজন্মের FGFA বিমান নির্মাণের পরিকল্পনাটি টেবিলেই রয়ে গিয়েছে.

দিল্লির সেন্টার ফর এয়ার পাওয়ার স্টাডিস-এর এডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল  তথা ভারতীয় বায়ুসেনার প্রাক্তন উপপ্রধান এয়ার মার্শাল কে. কে. নোয়ার জানিয়েছেন যে তিনি বায়ুসেনার সাথে একমত যে ভারত J-20 বিপদ মোকাবিলা করতে সক্ষম.

কয়েক বিলিয়ন ডলারের রাশিয়ার সাথে যৌথভাবে একটি পঞ্চম প্রজন্মের বিমান নির্মাণের পরিকল্পনাটি অধরাই রয়ে গেলো. ভারতীয় বিমানবাহিনী বিশ্বাস করে যে প্রস্তাবিত বিমানের ভিত্তিতে স্টিলথ বৈশিষ্ট্যের অভাব রয়েছে এবং আমেরিকার  এফ-35 বা এফ-22 এর মত সক্ষমও নয়.

ভারত রাশিয়ার সাথে 5 টি S-400 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ক্রয়ের জন্য আলোচনা চালাচ্ছে. S-400, ৪০০ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত শত্রুপক্ষের বিমান, ড্রোন বা  মিসাইলকে ধ্বংস করতে সক্ষম. চুক্তিটি হবে প্রায় ৩৯ হাজার কোটি টাকার. এপ্রিলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাননীয়া নির্মলা সীতারামনের রাশিয়া সফরকালে চুক্তিটি চূড়ান্ত হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি সূত্র জানিয়েছে যে এর মূল্যটাই মূল চিন্তার বিষয়, আমরা কিছু প্রশ্ন রাশিয়ার সামনে উত্থাপন করেছি S-400 নিয়ে. বিমান বাহিনীর আধুনিকীকরণের সাথে যুক্ত ভারতীয় বায়ুসেনার অন্য এক আধিকারিক জানিয়েছেন যে এটি একটি খরচসাপেক্ষ ভিত্তি কিন্তু এই সিস্টেমের সক্ষমতা প্রশ্নাতীত.
বর্তমানে FGFA নিয়ে দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করা খুবই শক্ত কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে. ভারতীয় বিমানবাহিনী যেখানে প্রকল্পটি বাতিল করতে চাইছে, অন্যদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রকের নিয়োগ করা একটি উচ্চ ক্ষমতাশালী কমিটি, প্রকল্পটির সাথে এগিয়ে যাওয়ার সুপারিশ করেছে.

No comments:

Post a Comment